উপহার বিভ্রাট
তুলিঃ ছোটবেলায় ভাবতাম বিয়ে হলে কি মজা হবে।কত উপহার পাব।
রিয়াঃ সত্যি বিয়েতে মেয়েরাই পায়।বর বাবাজী বৌ এবং তার সঙ্গে উপহারের বোঝা বহন করে।
সুমিঃ আমার মনে হয় এমন কিছু দেওয়া উচিত যা দুজনেরই কাজে লাগবে।
অনির্বাণঃ যেমন বই,বেড কাভার,দেওয়াল ঘড়ি...।
সুমিঃ ঠিক তাই।অধিকাংশ লোকই শাড়ি দেয় আর তা নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যায়।
রিয়াঃ হ্যাঁ রে আমার বৌদির পাওয়া কয়েকটা শাড়ি আলমারিতে তোলার আগেই ভ্যানিস।
সুজয়ঃ আমার বাবার এক সহপাঠী বলেছিল মেয়েদের কলকল কথা বন্ধ করার জন্য কয়েকটা শাড়ি সামনে ফেললেই যথেষ্ট।হাহাহা।
রিয়াঃ জিন্স পরিহিতা আধুনিকারাও সানগ্লাস মাথায় তুলবে।
অনির্বাণঃ রিয়া তোর বয় ফ্রেণ্ড এ বছর জন্মদিনে কি দিয়েছে রে?
রিয়াঃ তোকে বলবো কেন? হাহাহা।
অনির্বাণঃ Top secret.অন্য কিছু নয় তো?
সুজয়ঃ আমাদের মধ্যে একজন অনেক্ষণ নীরব।এ বিষয়ে ওর কোন বক্তব্যই নেই।
তুলিঃ অনি যা কিপটে কি বলব!
সুজয়ঃপ্রথম বিবাহবার্ষীকীতেও কিচ্ছু দেয় নি?
তুলিঃ না।অথচ দেখ আমি একটা গোলাপ কিংবা একটা কলম পেলেই খুশি হই।
অনির্বাণঃ This is not fair.তোর মত সোনা বৌ পেলে আমি তো দিয়ে দিয়ে ভরিয়ে দেব।
রিয়াঃ অন্য কেউ নেই তো?
তুলিঃ কি জানি এক বছরেই ভালোবাসাটা ঝিমিয়ে পড়েছে।
সুজয়ঃ বলেই ফেলি তুই ই আমার First crush.তোর ভালোর জন্য যদি কিছু করতে পারি।
তুলিঃ Feviquick দিয়ে কি আর সম্পর্ক জোড়া যায় রে?
সুমিঃ পরিবেশটা বড় ভারি হয়ে গেল।কেউ একটা মজার কথা বল।
রিয়াঃ জানিস আমার বৌদি জন্মদিনে আমায় একটা শাড়ি দিল।প্যাকেটটা পুরনো পুরনো।
খুলে দেখি যে শাড়িটা আমি বৌদিকে দিয়েছিলাম সেটাই আমার কাছে অন্য মোড়কে ফিরে এসেছে।
সমবেত কন্ঠঃ হাহাহাহা।
সুজয়ঃ পাওয়া শাড়ি থেকে দেওয়ার অভ্যেস।কে কোনটা দিয়েছে মনে রাখা দায়।
অনির্বাণঃ একেই বলে উপহার বিভ্রাট।
[মিতিল চক্রবর্তী,৯।৫।১৪]
তুলিঃ ছোটবেলায় ভাবতাম বিয়ে হলে কি মজা হবে।কত উপহার পাব।
রিয়াঃ সত্যি বিয়েতে মেয়েরাই পায়।বর বাবাজী বৌ এবং তার সঙ্গে উপহারের বোঝা বহন করে।
সুমিঃ আমার মনে হয় এমন কিছু দেওয়া উচিত যা দুজনেরই কাজে লাগবে।
অনির্বাণঃ যেমন বই,বেড কাভার,দেওয়াল ঘড়ি...।
সুমিঃ ঠিক তাই।অধিকাংশ লোকই শাড়ি দেয় আর তা নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে যায়।
রিয়াঃ হ্যাঁ রে আমার বৌদির পাওয়া কয়েকটা শাড়ি আলমারিতে তোলার আগেই ভ্যানিস।
সুজয়ঃ আমার বাবার এক সহপাঠী বলেছিল মেয়েদের কলকল কথা বন্ধ করার জন্য কয়েকটা শাড়ি সামনে ফেললেই যথেষ্ট।হাহাহা।
রিয়াঃ জিন্স পরিহিতা আধুনিকারাও সানগ্লাস মাথায় তুলবে।
অনির্বাণঃ রিয়া তোর বয় ফ্রেণ্ড এ বছর জন্মদিনে কি দিয়েছে রে?
রিয়াঃ তোকে বলবো কেন? হাহাহা।
অনির্বাণঃ Top secret.অন্য কিছু নয় তো?
সুজয়ঃ আমাদের মধ্যে একজন অনেক্ষণ নীরব।এ বিষয়ে ওর কোন বক্তব্যই নেই।
তুলিঃ অনি যা কিপটে কি বলব!
সুজয়ঃপ্রথম বিবাহবার্ষীকীতেও কিচ্ছু দেয় নি?
তুলিঃ না।অথচ দেখ আমি একটা গোলাপ কিংবা একটা কলম পেলেই খুশি হই।
অনির্বাণঃ This is not fair.তোর মত সোনা বৌ পেলে আমি তো দিয়ে দিয়ে ভরিয়ে দেব।
রিয়াঃ অন্য কেউ নেই তো?
তুলিঃ কি জানি এক বছরেই ভালোবাসাটা ঝিমিয়ে পড়েছে।
সুজয়ঃ বলেই ফেলি তুই ই আমার First crush.তোর ভালোর জন্য যদি কিছু করতে পারি।
তুলিঃ Feviquick দিয়ে কি আর সম্পর্ক জোড়া যায় রে?
সুমিঃ পরিবেশটা বড় ভারি হয়ে গেল।কেউ একটা মজার কথা বল।
রিয়াঃ জানিস আমার বৌদি জন্মদিনে আমায় একটা শাড়ি দিল।প্যাকেটটা পুরনো পুরনো।
খুলে দেখি যে শাড়িটা আমি বৌদিকে দিয়েছিলাম সেটাই আমার কাছে অন্য মোড়কে ফিরে এসেছে।
সমবেত কন্ঠঃ হাহাহাহা।
সুজয়ঃ পাওয়া শাড়ি থেকে দেওয়ার অভ্যেস।কে কোনটা দিয়েছে মনে রাখা দায়।
অনির্বাণঃ একেই বলে উপহার বিভ্রাট।
[মিতিল চক্রবর্তী,৯।৫।১৪]